কলকাতা (৮ অক্টোবর ২৬):- গত ৬ অক্টোবর কলকাতার 'খিদিরপুর স্কুল অব ফিজিক্যাল কালচার' প্রাঙ্গণে শেষ হওয়া দুদিনের সত্তরতম 'স্টেট স্কুল গেমস ইন বক্সিং' ঘিরে এই মুহূর্তে শহরে বিতর্কের ঝড় বইছে। ক্রীড়ানুষ্ঠানের আয়োজকদের বিরুদ্ধে কয়েক জায়গায় লিখিত অভিযোগও জমা পড়েছে, যদিও এই বিষয়ে এখনো পর্যন্ত আয়োজকদের তরফে কোনো প্রতিক্রিয়া জানানো হয় নি।
সত্তরতম 'স্টেট স্কুল গেমস ইন বক্সিং' প্রতিযোগিতা নিয়ে যে অভিযোগগুলো আসতে শুরু করেছে গুরুত্বের দিক দিয়ে তা অগ্রাহ্য করা যায় না।
অভিযোগ উঠেছে, প্রথমতঃ, প্রতিযোগিতার মুষ্টিযুদ্ধ বিভাগের রেফারিদের অ্যামেচার গ্রুপের বদলে প্রফেশনাল গ্রুপ থেকে আনা হয়েছে।
দ্বিতীয়তঃ, বেশ কিছু ফলাফল সন্দেহের উর্ধে নয়।
তৃতীয়তঃ, ক্রীড়া আয়োজকগণ নিজেদের নোংরামো ও দুর্বলতা ঢাকতে ক্রীড়াস্থলে উপস্থিত অনেক অভিভাবকের মোবাইল ফোন যেমন আধঘণ্টার জন্য হেফাজতে নিয়ে ছিলেন তেমনই অনেক অভিভাবকদের প্রতিবাদ মুখর হওয়ার জন্য শাসানিও দিয়েছিলেন।
বলে রাখা ভালো, গত ৫ অক্টোবর থেকে অনুর্ধ চোদ্দ, সতেরো ও উনিশ বছরের বালক বালিকাদের নিয়ে খিদিরপুরে চলছিল সত্তর তম 'স্টেট স্কুল গেমস ইন বক্সিং' প্রতিযোগিতা।
'স্টেট স্কুল গেমস ইন বক্সিং' প্রতিযোগিতার ৮০+ কেজি বিভাগে অংশগ্রহণকারী শিবম দে-র অভিভাবিকা পায়েল দেব গত ৬ অক্টোবর 'ওয়েস্ট বেঙ্গল প্রোগেসিভ বক্সিং অ্যাসোসিয়েশন'-কে এক লিখিত অভিযোগপত্র জমা দিয়ে অভিযোগের প্রতিকার চেয়েছেন।
পায়েল দেবের মতো অনেকেই জানিয়েছেন, "বিদ্যালয়ের পড়ুয়ারা কেউই যখন পেশাদার ক্ষেত্রের মুষ্টিযোদ্ধা নয়, তখন সখের বিচারকদের প্রাধান্য না দিয়ে পেশাদার মঞ্চের সাথে যুক্ত বিচারকদের নিয়ে আসা হল কেন ?"
অভিভাবকগণ অনেকেই অভিযোগ করছেন, "একটা খেলায় বারবার হাওড়ার এক ক্রীড়াবিদকে বারবার ক্ষতিগ্রস্ত করা হচ্ছিল, অভিভাবকদের প্রতিবাদকে গুরুত্ব দেওয়া হয়নি, উল্টে চোখ রাঙানো হয়েছে।"



Comments
Post a Comment