কলকাতা (১২ অগস্ট '২৬):- "নিজের হাতে গড়া সাধের সংসারে সমস্যা হলে জনপ্রতিনিধিদের ডাকুন, কিন্তু ঘর ছেড়ে কখনোই বৃদ্ধাবাসে যাবেন না," বলে বয়োজ্যেষ্ঠদের উদ্দেশ্যে সরাসরি অনুরোধ করলেন পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার নবনির্বাচিত সদস্যা পাপিয়া অধিকারী।
আজ প্রেস ক্লাব কলকাতায় 'পাখির বাসা' নামাঙ্কিত এক চলচ্চিত্রের সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত হয়ে টালিগঞ্জ বিধানসভা নির্বাচনী ক্ষেত্রের নবনির্বাচিত বিধায়ক তথা 'পাখির বাসা'-র অন্যতম অভিনেত্রী পাপিয়া অধিকারী জানান, "নির্বাচনের আগে প্রচার চলাকালীন পাড়ায় পাড়ায় ও বিভিন্ন আবাসনে ঘুরতে ঘুরতে আমি অনেক বয়োবৃদ্ধদের অন্তরের কষ্ট নিজের চোখে দেখে এসেছি। আমি সমস্ত বৃদ্ধবৃদ্ধাদের হাত জোর করে অনুরোধ করব, সন্তানসন্ততিদের সাথে মানসিক বা অন্য সমস্যা দেখা দিলে আপনারা আপনাদের এলাকার জনপ্রতিনিধিদের খবর দেবেন, আমরা আপনাদের সন্তানদের সাথে কথা বলব, কিন্তু কেউ হাজার বললেও আপনারা নিজেদের হাতে গড়া বাড়িঘর ছেড়ে বৃদ্ধাবাসে যাবেন না।"
বলে রাখা ভালো, এই বছর শারদোৎসবের প্রাক্কালে মুক্তি পেতে চলেছে বিধায়ক তথা অভিনেত্রী পাপিয়া অধিকারী অভিনীত বাংলা কাহিনীচিত্র 'পাখির বাসা'।
চন্দন দে প্রযোজিত, সৃজা ফিল্মস নিবেদিত এবং সোমনাথ সেন নির্দেশিত পুরোপুরি সামাজিক চলচ্চিত্র রূপে মুক্তি পাবে এই কাহিনীচিত্র।
'পাখির বাসা' নামাঙ্কিত কাহিনীচিত্রে মনোময় ও পরমা নামের এমন দুই চরিত্র দেখা যাবে যাঁদের সন্তানরা থেকেও যেন নেই।
বিপত্নীক মনোময় তাঁর পুত্র ও পুত্রবধূর কাছে থাকলেও সংসারে নিজপুত্রের থেকে তাঁকে বেশি আগলে রাখেন তাঁর পালিত পুত্র।
অন্যদিকে সুন্দরী বিধবা পরমার বিবাহিত পুত্রকন্যা থাকলেও প্রয়োজন ছাড়া তাঁরা পরমার সাথে যোগাযোগও রাখতে চান না। পরমাকে আবার দেখভাল করেন তাঁর পরিচারিকা।
কাহিনীর প্রয়োজনে মানসিক দিক দিয়ে পুরোপুরি নিঃসঙ্গ মনোময় ও পরমা একসময় একে অপরের মনের খুব কাছাকাছি চলে আসেন। দুজনের মন সব কিছু ছেড়ে উড়ু উড়ু করলেও । শেষ পর্যন্ত তাঁরাই ঐনি তাঁরা কী তাঁদের হাতে গড়া বাসা ছেড়ে পাখির মতো অন্য কোথাও উড়ে যেতে পারবেন ? এটা জানতে হলে পুজো পর্যন্ত একটু অপেক্ষা করতেই হবে।
পাপিয়া অধিকারী ছাড়াও এই চলচ্চিত্রে বিভিন্ন ভূমিকায় মৌবনী সরকার, কন্যাকুমারী, বিশ্বজিৎ চৌধুরী, দীপাঞ্জন ভট্টাচার্য সহ একাধিক অভিনেতা ও অভিনেত্রীকে অভিনয় করতে দেখা যাবে।

Comments
Post a Comment