প্রগতির লক্ষ্যে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে গ্রহণ করলে দোষ কোথায় : স্বাস্থ্যমন্ত্রী


হীরক মুখোপাধ্যায় 

কলকাতা (১৫ জুলাই '২৬):- বিশ্বের একাংশ যখন বিভিন্ন ক্ষেত্রে 'কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা'-র ব্যবহারিক প্রয়োগ ও ভবিষ্যতে এর বিপরীত ফলাফল নিয়ে আশঙ্কিত, ঠিক সেই সময় এই মতামতের বিপ্রতীপে আশার আলো দেখতে পাচ্ছেন পশ্চিমবঙ্গ সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের মন্ত্রী তথা প্রখ্যাত ক্যানসার বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক শ্বারদ্বত মুখোপাধ্যায়

'ইনডিসেতু'-র আয়োজনে আজ নিউটাউনের বুকে আয়োজিত 'এ আই ইনডিসেতু কলকাতা ২০২৬' নামাঙ্কিত এক বৈঠকে উপস্থিত থেকে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী নিজের বক্তব্যে জানান, "আমাদের ভুললে চলবে না এই ভারতেই শূন্যের আবিষ্কার হয়েছিল। শূন্যকে জানা গিয়েছিল বলেই পরবর্তীতে এক, দুই, তিনের দিকে এগোনো সম্ভব হয়েছে। এখন আর সময় নষ্ট করা উচিত নয়, বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে আমাদের প্রগতির পথে এগোতে হবে।"

বলে রাখা ভালো, পশ্চিমবঙ্গে কংগ্রেস জমানা, বাম জমানা ও তৃণমূল জমানার শেষে এই মুহূর্তে রাজ্যবাসী ভালোই বুঝতে পারছে রাজ্যের 'স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ বিভাগ' নিজেই এক মারণব্যধিতে ভুগছে। ক্যানসার নিরাময়ের চিকিৎসা কোনোদিন আবিষ্কার হলেও হতে পারে, কিন্তু পশ্চিমবঙ্গের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের রোগমুক্তির সম্ভবনা মূলতঃ দিবাস্বপ্নের বিষয়। 

আর এহেন পরিস্থিতিতে মানব বুদ্ধিমত্তার পাশাপাশি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার হাত ধরেই সম্ভবতঃ পরিত্রাণের রাস্তা খুঁজতে চলেছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার।

'ইনডিসেতু' আয়োজিত আজকের অনুষ্ঠানে মন্ত্রী শ্বারদ্বত মুখোপাধ্যায় ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন সেন্ট জেভিয়ার্স বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ফেলিক্স রাজ, বিশিষ্ট চিকিৎসক সুকুমার মুখোপাধ্যায়, ইনডিসেতুর প্রতিষ্ঠাতা চিকিৎসক অমিত ঘোষ সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রের একাধিক বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।

Comments