কলকাতা (৩০ জানুয়ারী '২৬):- বারাসাত ফার্স্ট ট্র্যাক ফার্স্ট কোর্ট (১) থেকে ২০২২ সালের ১৭ নভেম্বর এবং এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট-এর জন্য বরাদ্দ বিধাননগরের বিশেষ আদলত থেকে ২০২৪ সালের ১৮ জুন দু'দুবার 'বেকসুর খালাস' পাওয়ার পর আজ 'প্রেস ক্লাব' কলকাতা-য় নিজস্ব আইনজীবীকে পাশে বসিয়ে নিজেকে নির্দোষ রূপে ঘোষণা করলেন অরদীপ চ্যাটার্জি।
বলে রাখা ভালো, বেআইনিভাবে ক্যানসার রোগের চিকিৎসা করে আর্থিক উপার্জন ও আরো অন্যান্য মারাত্মক অভিযোগে লেকটাউন থানা ২০১৭ সালের ৮৭, ৮৯ ও ১০৯ নম্বর মামলার ভিত্তিতে ২৯ জুন ২০১৭ সালে অরদীপ চ্যাটার্জি-কে গ্রেফতার করে। একই সাথে শুরু হয়ে যায় ই ডি-র তদন্তও।
বেআইনিভাবে অরদীপকে সাহায্য করার জন্য ২০১৭ সালের ২৩ অগস্ট অরদীপের বাবা অসীম চ্যাটার্জি-কেও গ্রেফতার করা হয়েছিল।
বেআইনি আর্থিক লেনদেন ও বিভিন্ন আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগে ২০১৭ সালের ১৩ নভেম্বর ই ডি 'ইসিআইআর' দাখিল করে এবং অরদীপের সমস্ত ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ও সম্পত্তিকে যুক্ত করে সেই বছরেই ই ডি অরদীপের বিরুদ্ধে এক মামলা দায়ের করেছিল। পরবর্তী পর্যায়ে ২০১৮ সালের ৩১ জানুয়ারী জামিন পেয়েছিলেন অরদীপ।
বলে রাখা ভালো, উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার পর অরদীপ হোমিওপ্যাথি পরার জন্য ভর্তি হলেও পরে তিনি শিক্ষা অসম্পূর্ণ রেখেই বিদেশে পড়াশোনা করতে চলে গিয়েছিলেন। অরদীপের দাবি অনুযায়ী তিনি 'আমেরিকান সোসাইটি অব ক্লিনিক্যাল অঙ্কোলজি'-র সদস্য। তিনি ভবিষ্যতে ক্যানসারের বিকল্প চিকিৎসা 'সোরিনাম থেরাপি' নিয়েই কাজ করতে চান।
অরদীপ আজ সাংবাদিক সম্মেলনে এক লিখিত প্রেস বিজ্ঞপ্তি জারি করে জানিয়েছেন, ' ....তাঁর গবেষণা ও চেষ্টায় 'সোরিনাম থেরাপি' যখন ক্রমশঃ উন্নত ও বহু মানুষের ভরসাস্থল হয়ে উঠছিল, তখন এটা একশ্রেণীর অসাধু ওষুধ ব্যবসায়ী চক্রের চক্ষুশূল হয়ে ওঠে। এদের চক্রান্তে হয়তো তাঁকে এইভাবে কালিমালিপ্ত করার চেষ্টা করার হয়েছিল।'

Comments
Post a Comment