পশ্চিমবঙ্গের সংস্কৃতি নিয়ে এসইআইএল-এ অংশগ্রহণকারী ছাত্রছাত্রীদের উৎসাহ চোখে পড়ার মতো : সঙ্গীত ভট্টাচার্য
হীরক মুখোপাধ্যায়
কোলকাতা (৩ ফেব্রুয়ারী '২৩):- "পশ্চিমবঙ্গের সংস্কৃতি নিয়ে 'এসইআইএল' (SEIL)-এ অংশগ্রহণকারী ছাত্রছাত্রীদের উৎসাহ চোখে পড়ার মতো," বলে জানিয়েছেন 'অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ' (Akhil Bharatiya Vidyarthi Parishad) সংক্ষেপে 'এবিভিপি' (ABVP)-র পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশ সচিব সঙ্গীত ভট্টাচার্য (Sangeet Bhattacharyay, State Secretary West Bengal, ABVP)।আজ প্রেস ক্লাব কোলকাতা (Press Club Kolkata)-এ আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে অংশগ্রহণ করে সঙ্গীত ভট্টাচার্য এই কথা জানান।
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, গতকাল থেকে 'অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ'-এর আন্তঃরাজ্য ছাত্র জীবন দর্শন (Students' Experience in Inter-state Living) সংক্ষেপে 'এসইআইএল' (SEIL)-এর যাত্রা শুরু হয়েছে। আগামী ৫ ফেব্রুয়ারী পর্যন্ত এই যাত্রা চলবে।
'এসইআইএল' প্রতিনিধিবৃন্দ আজ কলকাতা প্রেসক্লাবে 'এবিভিপি'-র ডাকা সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন। এসইআইএল-র প্রতিনিধিবর্গকে নেতৃত্ব দিয়েছেন 'এসইআইএল'-এর দুই সহ আহ্বায়ক অন্ধ্রপ্রদেশের দাগডুম এটে (Dagjum Ete, Co-Convenor, SEIL) এবং মণিপুরের ডি সিখো (D Seikho, Co-Convenor, SEIL)।
'এবিভিপি'-র তরফ থেকে জানানো হয়েছে উত্তর-পূর্ব ভারতের সাত রাজ্য থেকে প্রায় ৪০ জন প্রতিনিধি পশ্চিমবঙ্গে এসেছেন।
সাংবাদিক সম্মেলনে এবিভিপি-র রাজ্য সম্পাদক সঙ্গীত ভট্টাচার্য্য বলেন, "পাঁচশোর বেশি ছাত্রছাত্রী সমগ্র উত্তর-পূর্ব ভারত থেকে ভারতবর্ষের বাইশটা রাজ্যের পঞ্চাশের বেশি স্থানে তিনদিন থেকে সেখানকার ভাষা, সংস্কৃতি, ঐতিহ্যের সঙ্গে পরিচিত হবেন।
পশ্চিমবঙ্গে বিভিন্ন প্রসিদ্ধ ও ঐতিহাসিক স্থান, বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গের সাথে তাদের পরিচয় করানোর সাথে সাথেই ইজেডসিসি (EZCC)-তে পাবলিক রিসেপশনে যোগদান করানো হবে।
ভারতের একাত্মতা এবং অখণ্ডতা প্রদর্শন এই যাত্রার প্রধান উদ্দেশ্য । ১৯৬৬ সাল থেকে অখিল ভারতীয় স্তরে 'এসইআইএল'-এর যাত্রা শুরু হয়।"
সাংবাদিক সম্মেলনে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য এবিভিপি-র মিডিয়া ইনচার্জ দেবাঞ্জন পাল (Debanjan Paul, Media in Change, ABVP West Bengal) জানান "উত্তর-পূর্ব ভারতের সাতটা রাজ্য ভারতের অন্য প্রান্ত থেকে আলাদা, এরকম একটা ভ্রান্ত ধারনা গত ৭০ বছর ধরে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল প্রচার করে আসছে। এই বিপজ্জনক ধারনা বিচ্ছিন্নতাবাদী মনোভাবকে প্রচ্ছন্ন প্রশ্রয় দেয়। তাই দেশের বিভিন্ন প্রান্ত ও উত্তর-পূর্বকে একসূত্রে গাঁথার জন্য এই পদক্ষেপ।"

Comments
Post a Comment