এম রাজশেখর
কোলকাতা (১২ জানুয়ারী '২৩):- ১৩ জানুয়ারী থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারী পর্যন্ত ১ মাস ব্যাপী ইলেকট্রনিক্স বর্জ ব্যবস্থাপনা বিষয়ক ডাম্প অর ডোনেট শীর্ষক মেগা প্রচারের ডাক দিল লায়ন্স ক্লাবস ইন্টারন্যাশনাল (Dump or Donate : Lions' E-waste Management Mega Campaign)।গতকাল 'কোলকাতা প্রেস ক্লাব'-এ এই সম্পর্কিত তথ্য পরিবেশন করে লায়ন্স ক্লাবস ইন্টারন্যাশনাল ডিস্ট্রিক্ট ৩২২ বি১ এবং বি২ (Lions Clubs International District 322B1 & B2) তরফ থেকে জানানো হয়েছে, "ভারতের বিভিন্ন শহরের সাথে তাল মিলিয়ে কোলকাতাতেও চলবে মাসাধিককাল ব্যাপী এই প্রচার অভিযান। ১৩ জানুয়ারী অপরাহ্ন ২ টোর সময় ২২ ক্যামাক স্ট্রীট (January 13 at 2pm at 22, Camac Street) থেকে কোলকাতার কার্যক্রম শুরু হবে।
ই বর্জ-র উপর একত্রিকরণ অথবা প্রদান (Dump or Donate) শীর্ষক এই প্রচার অভিযান-এর উপর আলোকপাত করে 'লায়ন্স ক্লাবস ইন্টারন্যাশনাল'-এর তরফ থেকে জানানো হয়েছে, "সমগ্র বিশে ইলেকট্রনিক্স বর্জ-র পরিমাণের নিরিখে ভারত রয়েছে তৃতীয় স্থানে। এখন ভারতের প্রায় সব বাড়িতেই রয়েছে নষ্ট হয়ে যাওয়া রেডিও, টিভি, মোবাইল, টোস্টার, মিক্সার-এর মতো নানাবিধ ইলেকট্রনিক্স সামগ্রী।
পুরনো স্মৃতি জড়িত থাকার জন্য অনেকেই অনেক সময় এগুলোকে ফেলে দিতে চান না, আবার কেউ কেউ সামান্য কিছু অর্থের বিনিময়ে বাতিল সামগ্রী রূপে এগুলোকে হস্তান্তর করেন।
এখান থেকেই শুরু হয় সমস্যার।
এক সমীক্ষায় দেখা গেছে ২০২০-২১ অর্থবর্ষে ৩.২ মিলিয়ন টন ইলেকট্রনিক্স বর্জ সংগৃহীত হয়েছিল ভারতে। আশঙ্কা করা হচ্ছে ২০৫০ সাল নাগাদ এই ইলেকট্রনিক্স বর্জ-র পরিমাণ দাঁড়াবে ১৬১ মিলিয়ন টন।
সব থেকে চিন্তার বিষয় গত ৫ বছরে ভারত ইলেকট্রনিক্স বর্জ বেড়েছে ৪৩ শতাংশ। এই ইলেকট্রনিক্স বর্জ-র ৮২ শতাংশ আবার টর্চ, মোবাইল ফোন বা অন্যান্য কিছুর মতো ব্যক্তিগত প্রয়োজনীয় সামগ্রী।
সব থেকে আতঙ্কের বিষয় দেশের অভ্যন্তরে থাকা মোট বাতিল ইলেকট্রনিক্স সামগ্রী বা ই ওয়েস্ট-এর পরিমাণ ১০, ১৪, ৯৬১.২১ টন হলেও এর মাত্র ২২.৭ শতাংশ সঠিকভাবে বিনষ্টিকরণ করা হয়েছে।"
বলে রাখা ভালো, ইলেকট্রনিক্স বর্জ ঠিক ভাবে বিনষ্টিকরণ না হয়ে থাকলে এটা সমাজে শুধু দৃশ্যদূষণই ঘটায় না বরং পরিবেশ দূষণ (Environment Pollution)-এর অঙ্গ রূপে ভূমি দূষণ (Soil Pollution), জল দূষণ (Water Pollution) এবং অগ্নিসংযোগ হেতু ক্ষেত্রবিশেষে বায়ু দূষণ (Air Pollution)ও ঘটিয়ে থাকে।
ই বর্জ-র উপর একত্রিকরণ অথবা প্রদান (Dump or Donate) শীর্ষক এই প্রচার অভিযান-এর উপর আলোকপাত করে 'লায়ন্স ক্লাবস ইন্টারন্যাশনাল'-এর তরফ থেকে জানানো হয়েছে, "সমগ্র বিশে ইলেকট্রনিক্স বর্জ-র পরিমাণের নিরিখে ভারত রয়েছে তৃতীয় স্থানে। এখন ভারতের প্রায় সব বাড়িতেই রয়েছে নষ্ট হয়ে যাওয়া রেডিও, টিভি, মোবাইল, টোস্টার, মিক্সার-এর মতো নানাবিধ ইলেকট্রনিক্স সামগ্রী।
পুরনো স্মৃতি জড়িত থাকার জন্য অনেকেই অনেক সময় এগুলোকে ফেলে দিতে চান না, আবার কেউ কেউ সামান্য কিছু অর্থের বিনিময়ে বাতিল সামগ্রী রূপে এগুলোকে হস্তান্তর করেন।
এখান থেকেই শুরু হয় সমস্যার।
এক সমীক্ষায় দেখা গেছে ২০২০-২১ অর্থবর্ষে ৩.২ মিলিয়ন টন ইলেকট্রনিক্স বর্জ সংগৃহীত হয়েছিল ভারতে। আশঙ্কা করা হচ্ছে ২০৫০ সাল নাগাদ এই ইলেকট্রনিক্স বর্জ-র পরিমাণ দাঁড়াবে ১৬১ মিলিয়ন টন।
সব থেকে চিন্তার বিষয় গত ৫ বছরে ভারত ইলেকট্রনিক্স বর্জ বেড়েছে ৪৩ শতাংশ। এই ইলেকট্রনিক্স বর্জ-র ৮২ শতাংশ আবার টর্চ, মোবাইল ফোন বা অন্যান্য কিছুর মতো ব্যক্তিগত প্রয়োজনীয় সামগ্রী।
সব থেকে আতঙ্কের বিষয় দেশের অভ্যন্তরে থাকা মোট বাতিল ইলেকট্রনিক্স সামগ্রী বা ই ওয়েস্ট-এর পরিমাণ ১০, ১৪, ৯৬১.২১ টন হলেও এর মাত্র ২২.৭ শতাংশ সঠিকভাবে বিনষ্টিকরণ করা হয়েছে।"
বলে রাখা ভালো, ইলেকট্রনিক্স বর্জ ঠিক ভাবে বিনষ্টিকরণ না হয়ে থাকলে এটা সমাজে শুধু দৃশ্যদূষণই ঘটায় না বরং পরিবেশ দূষণ (Environment Pollution)-এর অঙ্গ রূপে ভূমি দূষণ (Soil Pollution), জল দূষণ (Water Pollution) এবং অগ্নিসংযোগ হেতু ক্ষেত্রবিশেষে বায়ু দূষণ (Air Pollution)ও ঘটিয়ে থাকে।

Comments
Post a Comment