হীরক মুখোপাধ্যায়
কোলকাতা (৭ জুলাই '২২):- অস্বাভাবিক তত্ত্বের খোঁজে গত ২ জুলাই শনিবার দঃ দমদম পৌরসভার ৩৫ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণদাঁড়ির এক পোড়ো ভিটে ঘুরে দেখল 'ডিটেকটিভস অব সুপারন্যাচারল'-এর সদস্যরা।
স্থানীয় জনগণের মতে কেউ এই বাড়ি কে বাগানবাড়ি, কেউবা জমিদারবাড়ি বা রাজবাড়ি বলেও চিহ্নিত করে থাকে। তবে কে কবে যে অট্টালিকা তুল্য এই ইমারত বানিয়েছিলেন তা এই প্রজন্মের কেউই আর এখন ঠিক মনে করতে পারেননা। তবে যে যাই বলুন এই অট্টালিকা যে ইংরেজ আমলের প্রায় শুরুর দিকেই তৈরী সে বিষয়ে কোনো সন্দেহের অবকাশ নেই। দীর্ঘদিন অনাদরে অবহেলায় পড়ে থাকতে থাকতে স্থানীয় অঞ্চলের মানুষের কাছে এই পোড়োবাড়ি ভুতুড়ে বাড়ি-র তকমা পেয়ে গেছে।
কোলকাতা (৭ জুলাই '২২):- অস্বাভাবিক তত্ত্বের খোঁজে গত ২ জুলাই শনিবার দঃ দমদম পৌরসভার ৩৫ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণদাঁড়ির এক পোড়ো ভিটে ঘুরে দেখল 'ডিটেকটিভস অব সুপারন্যাচারল'-এর সদস্যরা।
স্থানীয় জনগণের মতে কেউ এই বাড়ি কে বাগানবাড়ি, কেউবা জমিদারবাড়ি বা রাজবাড়ি বলেও চিহ্নিত করে থাকে। তবে কে কবে যে অট্টালিকা তুল্য এই ইমারত বানিয়েছিলেন তা এই প্রজন্মের কেউই আর এখন ঠিক মনে করতে পারেননা। তবে যে যাই বলুন এই অট্টালিকা যে ইংরেজ আমলের প্রায় শুরুর দিকেই তৈরী সে বিষয়ে কোনো সন্দেহের অবকাশ নেই। দীর্ঘদিন অনাদরে অবহেলায় পড়ে থাকতে থাকতে স্থানীয় অঞ্চলের মানুষের কাছে এই পোড়োবাড়ি ভুতুড়ে বাড়ি-র তকমা পেয়ে গেছে।
তেঁনাদের সন্ধানে ওইদিন বিকেল ৫ টা থেকে রাত ৯ টা পর্যন্ত অস্বাভাবিক জগতের অন্বেষকগণ যে পরিবেশে সময় কাটিয়ে এলেন এককথায় তা ভুতুড়ে বললেও কম বলা হয়।
'ডিটেকটিভ অব সুপারন্যাচরল'-এর প্রতিষ্ঠাতা দেবরাজ সান্যাল-এর নেতৃত্বে ওইদিন ভেঙে পড়া রাজবাড়ী তুল্য এই অট্টালিকার মাঝে প্রবেশ করেন এই দলের বাকি সদস্য তথা অস্বাভাবিক তত্ত্বের অন্বেষক ঈশিতা দাস সান্যাল, ডঃ উজ্জ্বল গুপ্ত, সোমাঞ্জন মুখার্জী, রাজ সিমলাই, আয়ুশ মজুমদার সহ সংস্থার টেকনিক্যাল হেড অরিন্দম ঘোষাল ও জনৈক অপর সদস্য ঋতবান চ্যাটার্জী।
চার ঘণ্টার তল্লাশিতে কোনো অশরীরী সত্তা সেদিন অতীন্দ্রিয় জগতের গবেষকদের সামনে সশরীরে হানা না দিলেও তাঁদের নীরব উপস্থিতি যে বুঝিয়ে দিয়েছে এই বিষয়ে গবেষক দলের সবাই একমত।
অতীন্দ্রিয় জগতের উপর অনুসন্ধান চালাতে বর্তমানে ভারত সহ বহির্বিশ্বে ব্যবহৃত হচ্ছে বৈজ্ঞানিক জ্ঞান ও প্রযুক্তি।
সৃষ্টির সূচনালগ্ন থেকেই মানুষ ভগবান ও ভূত-এর অস্তিত্ব সম্পর্কে দ্বিধাবিভক্ত। একদল বারংবার বলার চেষ্টা করেছেন ও করছেন, 'সাধারণ ভৌতিক জগতের পাশাপাশি রয়েছে একটা অতীন্দ্রিয় জগত, যেখানে পাশাপাশি অবস্থান করছে শুভশক্তি (দেবতা) ও অশুভশক্তি (অপদেবতা)'।
অপরদিকে অন্যদল সবসময়ই বলে আসছেন, 'সাধারণ জগতের পাশাপাশি অতীন্দ্রিয় জগতের কল্পনা আকাশকুসুম চিন্তা মাত্র।'
অতীন্দ্রিয় জগতের পক্ষে গলা ফাটাবার যেমন লোকের অভাব নেই, ঠিক তেমন অতীন্দ্রিয় জগতের বিপক্ষেও চেঁচাবার লোক কম নেই।
যে বা যাঁরা অতীন্দ্রিয়বাদ-এর পক্ষে কথা বলছেন তাঁদের এককথায় 'আস্তিক' ও বিপক্ষের দলকে 'নাস্তিক' বলে চিহ্নিত করে আসাটাই দুনিয়ার একটা দস্তুর।
তবে আজ থেকে নয়, প্রায় পুরাণের কাল থেকেই আমাদের দেশে সাধারণ মানুষের পাশাপাশি একশ্রেণীর জ্ঞানী মানুষ (ঋষি, মুনি) অতীন্দ্রিয় জগত বা অতীন্দ্রিয়বাদকে স্বীকৃতি দিয়ে গেছেন।
পরবর্তী সময়ে বেশ কিছু শিক্ষিত মানুষও এই ধারণাকে প্রশ্রয় দিয়েছেন।
কিন্তু বিশ্বের বিজ্ঞাননিষ্ঠ যুক্তিবাদী সমাজ চিরকালই এই 'অতীন্দ্রিয়বাদ বা অতীন্দ্রিয় জগত'-কে পরিহাস করে এসেছে।
সম্প্রতি ভৌতবিজ্ঞান-এর বিশেষ কিছু শাখা যেমন আলো, তাপ, শব্দ প্রভৃতি বিষয়ের বৈজ্ঞানিক জ্ঞান ও আধুনিক প্রযুক্তির সাহায্য নিয়ে একশ্রেণীর বিজ্ঞানমনস্ক যুক্তিবাদী শিক্ষিত মানুষ ভারতে অতীন্দ্রিয় জগত সম্পর্কে অনুসন্ধান মূলক গবেষণায় রত হয়েছেন।
অতীন্দ্রিয় জগতের অনুসন্ধানকারীদের মতে, "বয়সের ভারে স্বাভাবিক নিয়মে মৃত্যু হওয়ার জন্য বয়স্ক মানুষ বা জীবের ব্যক্তিগত চাহিদা বা ইচ্ছা অনেকটাই প্রশমিত থাকার ফলে সাধারণত বয়স্ক মানুষের প্রেতাত্মারা অন্য কোনো জীবিত ব্যক্তির অনিষ্ট কামনা করেনা বা নিজেদের উপস্থিতি প্রদর্শন করেনা।
অন্যদিকে, প্রাণ প্রাচুর্যে ভরপুর থাকার সময় কমবয়সে অকস্মাৎ যে সব ব্যক্তি অকালমৃত্যুর সম্মুখীন হয়, সেইসব ব্যক্তি বা ব্যক্তিদের প্রেতাত্মারা যদি জীবিত কোনো ব্যক্তিকে দর্শন দিতে চায় বা উপস্থিতি টের পাওয়াতে চায়, তা তাঁরা সহজেই করতে পারে, আর এমনটাই অধিকাংশ ক্ষেত্রে হয়ে থাকে।
এখন প্রশ্ন উঠবে, বিজ্ঞানের অন্যান্য শাখা ছেড়ে দিয়ে হঠাৎ এরকম এক আপাত অগ্রাহ্য জগত নিয়ে অনুসন্ধান চালানোর পিছনে মূল রহস্যটা কী !
এর পরিপ্রেক্ষিতে এই মুহূর্তে দাঁড়িয়ে শুধু এটুকুই বলা যায়, বিজ্ঞান যেখানে নিজেই স্বীকার করে নিচ্ছে- 'শক্তি (Energy) প্রয়োজনে পরিবর্তিত হতে পারে কিন্তু নিঃশেষিত হতে পারেনা', সেখানে দাঁড়িয়ে প্রশ্ন ওঠাটাই স্বাভাবিক তাহলে জীবন্ত সত্তা তা মানুষ বা পশুপাখি যাই হোক তাদের এই প্রাণশক্তিটা মৃত্যুর পর যাচ্ছে কোথায় ?
এই বিষয়ে বিজ্ঞানভিত্তিক জ্ঞান লাভের জন্যেই অতীন্দ্রিয়বাদী বা অস্বাভাবিক তত্ত্বের অনুসন্ধানকারীদের এই অনুসন্ধান।"
অতীন্দ্রিয় জগতের উপর অনুসন্ধান চালাতে বর্তমানে ভারত সহ বহির্বিশ্বে ব্যবহৃত হচ্ছে বৈজ্ঞানিক জ্ঞান ও প্রযুক্তি।
সৃষ্টির সূচনালগ্ন থেকেই মানুষ ভগবান ও ভূত-এর অস্তিত্ব সম্পর্কে দ্বিধাবিভক্ত। একদল বারংবার বলার চেষ্টা করেছেন ও করছেন, 'সাধারণ ভৌতিক জগতের পাশাপাশি রয়েছে একটা অতীন্দ্রিয় জগত, যেখানে পাশাপাশি অবস্থান করছে শুভশক্তি (দেবতা) ও অশুভশক্তি (অপদেবতা)'।
অপরদিকে অন্যদল সবসময়ই বলে আসছেন, 'সাধারণ জগতের পাশাপাশি অতীন্দ্রিয় জগতের কল্পনা আকাশকুসুম চিন্তা মাত্র।'
অতীন্দ্রিয় জগতের পক্ষে গলা ফাটাবার যেমন লোকের অভাব নেই, ঠিক তেমন অতীন্দ্রিয় জগতের বিপক্ষেও চেঁচাবার লোক কম নেই।
যে বা যাঁরা অতীন্দ্রিয়বাদ-এর পক্ষে কথা বলছেন তাঁদের এককথায় 'আস্তিক' ও বিপক্ষের দলকে 'নাস্তিক' বলে চিহ্নিত করে আসাটাই দুনিয়ার একটা দস্তুর।
তবে আজ থেকে নয়, প্রায় পুরাণের কাল থেকেই আমাদের দেশে সাধারণ মানুষের পাশাপাশি একশ্রেণীর জ্ঞানী মানুষ (ঋষি, মুনি) অতীন্দ্রিয় জগত বা অতীন্দ্রিয়বাদকে স্বীকৃতি দিয়ে গেছেন।
পরবর্তী সময়ে বেশ কিছু শিক্ষিত মানুষও এই ধারণাকে প্রশ্রয় দিয়েছেন।
কিন্তু বিশ্বের বিজ্ঞাননিষ্ঠ যুক্তিবাদী সমাজ চিরকালই এই 'অতীন্দ্রিয়বাদ বা অতীন্দ্রিয় জগত'-কে পরিহাস করে এসেছে।
সম্প্রতি ভৌতবিজ্ঞান-এর বিশেষ কিছু শাখা যেমন আলো, তাপ, শব্দ প্রভৃতি বিষয়ের বৈজ্ঞানিক জ্ঞান ও আধুনিক প্রযুক্তির সাহায্য নিয়ে একশ্রেণীর বিজ্ঞানমনস্ক যুক্তিবাদী শিক্ষিত মানুষ ভারতে অতীন্দ্রিয় জগত সম্পর্কে অনুসন্ধান মূলক গবেষণায় রত হয়েছেন।
অতীন্দ্রিয় জগতের অনুসন্ধানকারীদের মতে, "বয়সের ভারে স্বাভাবিক নিয়মে মৃত্যু হওয়ার জন্য বয়স্ক মানুষ বা জীবের ব্যক্তিগত চাহিদা বা ইচ্ছা অনেকটাই প্রশমিত থাকার ফলে সাধারণত বয়স্ক মানুষের প্রেতাত্মারা অন্য কোনো জীবিত ব্যক্তির অনিষ্ট কামনা করেনা বা নিজেদের উপস্থিতি প্রদর্শন করেনা।
অন্যদিকে, প্রাণ প্রাচুর্যে ভরপুর থাকার সময় কমবয়সে অকস্মাৎ যে সব ব্যক্তি অকালমৃত্যুর সম্মুখীন হয়, সেইসব ব্যক্তি বা ব্যক্তিদের প্রেতাত্মারা যদি জীবিত কোনো ব্যক্তিকে দর্শন দিতে চায় বা উপস্থিতি টের পাওয়াতে চায়, তা তাঁরা সহজেই করতে পারে, আর এমনটাই অধিকাংশ ক্ষেত্রে হয়ে থাকে।
এখন প্রশ্ন উঠবে, বিজ্ঞানের অন্যান্য শাখা ছেড়ে দিয়ে হঠাৎ এরকম এক আপাত অগ্রাহ্য জগত নিয়ে অনুসন্ধান চালানোর পিছনে মূল রহস্যটা কী !
এর পরিপ্রেক্ষিতে এই মুহূর্তে দাঁড়িয়ে শুধু এটুকুই বলা যায়, বিজ্ঞান যেখানে নিজেই স্বীকার করে নিচ্ছে- 'শক্তি (Energy) প্রয়োজনে পরিবর্তিত হতে পারে কিন্তু নিঃশেষিত হতে পারেনা', সেখানে দাঁড়িয়ে প্রশ্ন ওঠাটাই স্বাভাবিক তাহলে জীবন্ত সত্তা তা মানুষ বা পশুপাখি যাই হোক তাদের এই প্রাণশক্তিটা মৃত্যুর পর যাচ্ছে কোথায় ?
এই বিষয়ে বিজ্ঞানভিত্তিক জ্ঞান লাভের জন্যেই অতীন্দ্রিয়বাদী বা অস্বাভাবিক তত্ত্বের অনুসন্ধানকারীদের এই অনুসন্ধান।"
অতীন্দ্রিয় জগত নিয়ে যাঁরা বর্তমানে অনুসন্ধান মূলক গবেষণা করছেন তাঁরা ব্যবহার করছেন- 'ইলেকট্রো ম্যাগনেটিক ফিল্ড ডিটেকটর', এটা এমন একটা যন্ত্র (মিটার) যেটা সাধারণ অবস্থায় ০.৩ থেকে ০.৬ এর মধ্যে নিজের সূচককে নিয়ন্ত্রণ করে কিন্তু কোনো অস্বাভাবিকতা অনুভব করলে সূচকের মাণ উর্ধমুখী হয় ওঠে বা ঘনঘন ওঠানামা করে।
এই অনুসন্ধানকারীরা আরো ব্যবহার করছেন- 'ইলেকট্রনিক ভয়েস ফেনোমেনা', এটা এমন একটা যন্ত্র যার মাধ্যমে খুব কম কম্পাঙ্কের আওয়াজও সহজে ধরে ফেলা যায়।
কম্পিউটারে বসে শব্দ বাড়িয়ে শুনলেই এই কম কম্পাঙ্কের শব্দগুলো পরিস্কার শোনা যায়।
ব্যবহৃত হচ্ছে 'এক্সটারন্যাল থার্মোমিটার', উষ্ণতা মাপক এই যন্ত্রের সাহায্যে খুব সহজেই অনুসন্ধান স্থল বা উৎপীড়িত অঞ্চলের স্থানীয় তাপমাত্রা বা তার হেরফের বোঝা যায়।
এর পাশাপাশি অনুসন্ধানকারীরা রাখছেন 'প্যারাবোলিক থার্মোমিটার', এটা এমন এক ধরণের তাপমাণ যন্ত্র যার মাধ্যমে একই ঘরের দুটো পৃথক পৃথক দেওয়ালের পৃথক পৃথক মাণ পাওয়া সম্ভব।
সাহায্য নেওয়া হচ্ছে আধুনিক 'লেজার গ্রেড' যন্ত্রের। এটা এমন একটা যন্ত্র, যার আলো একবার জ্বালিয়ে 'আত্মানুসন্ধান' পর্ব শুরু করলে, সেই আলোর সামনে দিয়ে যদি কোনো ধোঁয়া বা ছাঁওয়া যায় তা খুব সহজেই সনাক্ত করা সম্ভব হয়।
এর সাথে সাথে অতীন্দ্রিয় জগতের অনুসন্ধানকারীরা ব্যবহার করছেন 'মোশন সেনসর' নামের আর এক অত্যাধুনিক যন্ত্র। এই যন্ত্র একবার চালু করলে যন্ত্রের আলো একবার জ্বলে উঠে নিভে যায়, কিন্তু যন্ত্র চলাকালীন ওই যন্ত্রের সামনে দিয়ে কিছু চলাফেরা করলে তৎক্ষনাত ওই যন্ত্রের আলো জ্বলে উঠে অনুসন্ধানকারীদের সচেতন করে দিতে সক্ষম।
অতীন্দ্রিয় জগতের অনুসন্ধানকারীরা আরো ব্যবহার করছেন 'ইকো বক্স', এটা এমন একটা আধুনিক যন্ত্র যা প্রতি ৩ সেকেণ্ড অন্তর রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি আদানপ্রদান করতে সম্ভব। অতীন্দ্রিয় জগতের অনুসন্ধানকারীদের বক্তব্য, "শুভ বা অশুভশক্তি যদি কোনো প্রশ্নের উত্তর দিতে চান, তাহলে এই যন্ত্রের মাধ্যমে খুব সহজেই তা গোচরে আসে।"
এই অনুসন্ধানকারীরা আরো ব্যবহার করছেন- 'ইলেকট্রনিক ভয়েস ফেনোমেনা', এটা এমন একটা যন্ত্র যার মাধ্যমে খুব কম কম্পাঙ্কের আওয়াজও সহজে ধরে ফেলা যায়।
কম্পিউটারে বসে শব্দ বাড়িয়ে শুনলেই এই কম কম্পাঙ্কের শব্দগুলো পরিস্কার শোনা যায়।
ব্যবহৃত হচ্ছে 'এক্সটারন্যাল থার্মোমিটার', উষ্ণতা মাপক এই যন্ত্রের সাহায্যে খুব সহজেই অনুসন্ধান স্থল বা উৎপীড়িত অঞ্চলের স্থানীয় তাপমাত্রা বা তার হেরফের বোঝা যায়।
এর পাশাপাশি অনুসন্ধানকারীরা রাখছেন 'প্যারাবোলিক থার্মোমিটার', এটা এমন এক ধরণের তাপমাণ যন্ত্র যার মাধ্যমে একই ঘরের দুটো পৃথক পৃথক দেওয়ালের পৃথক পৃথক মাণ পাওয়া সম্ভব।
সাহায্য নেওয়া হচ্ছে আধুনিক 'লেজার গ্রেড' যন্ত্রের। এটা এমন একটা যন্ত্র, যার আলো একবার জ্বালিয়ে 'আত্মানুসন্ধান' পর্ব শুরু করলে, সেই আলোর সামনে দিয়ে যদি কোনো ধোঁয়া বা ছাঁওয়া যায় তা খুব সহজেই সনাক্ত করা সম্ভব হয়।
এর সাথে সাথে অতীন্দ্রিয় জগতের অনুসন্ধানকারীরা ব্যবহার করছেন 'মোশন সেনসর' নামের আর এক অত্যাধুনিক যন্ত্র। এই যন্ত্র একবার চালু করলে যন্ত্রের আলো একবার জ্বলে উঠে নিভে যায়, কিন্তু যন্ত্র চলাকালীন ওই যন্ত্রের সামনে দিয়ে কিছু চলাফেরা করলে তৎক্ষনাত ওই যন্ত্রের আলো জ্বলে উঠে অনুসন্ধানকারীদের সচেতন করে দিতে সক্ষম।
অতীন্দ্রিয় জগতের অনুসন্ধানকারীরা আরো ব্যবহার করছেন 'ইকো বক্স', এটা এমন একটা আধুনিক যন্ত্র যা প্রতি ৩ সেকেণ্ড অন্তর রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি আদানপ্রদান করতে সম্ভব। অতীন্দ্রিয় জগতের অনুসন্ধানকারীদের বক্তব্য, "শুভ বা অশুভশক্তি যদি কোনো প্রশ্নের উত্তর দিতে চান, তাহলে এই যন্ত্রের মাধ্যমে খুব সহজেই তা গোচরে আসে।"





Comments
Post a Comment